বেস ২০২৫: একটি বিশ্বব্যাপী অনচেইন অর্থনীতির স্বপ্ন

লেখক: DaveBase
তারিখ: মার্চ ১৭, ২০২৫

বেস (Base) নামে পরিচিত এই প্রকল্পটি ২০২৫ সালে একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে: একটি বিশ্বব্যাপী অনচেইন অর্থনীতি গড়ে তোলা, যেখানে উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা এবং স্বাধীনতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এই প্রকল্পের মূল মিশন হলো এমন একটি ইন্টারনেট তৈরি করা, যা মানুষের দ্বারা, মানুষের জন্যই নির্মিত হবে। বেস-এর দল বিশ্বাস করে যে, এই স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রয়োজন লক্ষ লক্ষ বিল্ডার (নির্মাতা) এবং কোটি কোটি মানুষকে একত্রিত করা।

post image

২০২৫ সালের জন্য বেস-এর পরিকল্পনা পাঁচটি মূল স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে: বিল্ডারদের জন্য সরঞ্জাম, অ্যাপস-এর বিকাশ, মালিকানার সুবিধা, বাজারের প্রসার এবং বিশ্বের সবাইকে অনচেইনে আনা। তাদের লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী—২৫ মিলিয়ন মানুষ, ২৫ হাজার ডেভেলপার, ২৫০ এমগ্যাস/সেকেন্ড ব্লকস্পেস ক্ষমতা, ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ এবং অক্টোবরে ১ বিলিয়ন লেনদেন। এই লক্ষ্যগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং একটি বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনের প্রতীক।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি কী অর্থ বহন করে? আমাদের দেশে ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। বেস-এর এই উদ্যোগ আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বেস-এর “বিল্ডারদের জন্য” স্তম্ভটি বাংলাদেশের ডেভেলপারদের জন্য ওপেন-সোর্স সরঞ্জাম এবং এআই-চালিত অ্যাপ তৈরির সুযোগ দিচ্ছে। আমাদের ফ্রিল্যান্সার এবং টেক উদ্যোক্তারা এই প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দক্ষতা প্রয়োগ করে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে পারেন।

তবে, চ্যালেঞ্জও কম নয়। বেস-এর দল স্বীকার করেছে যে অনেকেই এখনো এই নতুন অর্থনীতিতে যোগ দিতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। বাংলাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ, শিক্ষা এবং সচেতনতার অভাব এই প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবুও, বেস-এর প্রতিশ্রুতি—সহজ বার্তা, সহজ পণ্য এবং বিশ্বব্যাপী সংযোগ—আমাদের জন্য আশার আলো জ্বালিয়েছে। ২০২৫ সালে বেস যদি সত্যিই ১ বিলিয়ন মানুষকে অনচেইনে আনতে পারে, তবে বাংলাদেশও এই যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

post image