কয়েনবেস ওয়ালেট এবং বেস ২০২৫ সালে একটি যুগান্তকারী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তাদের লক্ষ্য হলো বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে অনচেইনে আনা, এবং এর জন্য তারা কয়েনবেস ওয়ালেটকে ১০ গুণ দ্রুত এবং সহজ করে তুলছে। এছাড়া, তারা ফারকাস্টার ফ্রেমস এবং অনচেইন সোশ্যাল গ্রাফ ব্যবহার করে অ্যাপস-এর জনপ্রিয়তা বাড়াতে কাজ করছে।

কয়েনবেস ওয়ালেট গত বছর অনেক অগ্রগতি করেছে—স্মার্ট ওয়ালেটের মাধ্যমে সহজে অনবোর্ডিং, ১৪০টির বেশি দেশে ক্রিপ্টো কেনার সুযোগ এবং ব্যবহারকারীদের পুরস্কৃত করা। কিন্তু তারা লক্ষ্য করেছে যে, অনেকে ক্রিপ্টো কিনে থেমে যাচ্ছে। ২০২৫ সালে তাদের ফোকাস হলো ব্যবহারকারীদের শুধু দরজায় আনা নয়, বরং তাদের বিল্ডারদের তৈরি অসাধারণ পণ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করা।
বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। আমাদের দেশে মোবাইল পেমেন্ট এবং ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। কয়েনবেস ওয়ালেট যদি পেমেন্টকে সহজ করে দেয়, তবে বাংলাদেশের ছোট ব্যবসায়ী এবং ফ্রিল্যান্সাররা এটির সুবিধা নিতে পারবে। এছাড়া, ফারকাস্টারের মাধ্যমে সোশ্যাল ফিড এবং মিনি-অ্যাপস আমাদের স্থানীয় স্রষ্টাদের জন্য নতুন আয়ের পথ খুলতে পারে।
একই সঙ্গে, বেস ফ্ল্যাশব্লকস, অ্যাপচেইন এবং স্মার্ট ওয়ালেট সাব অ্যাকাউন্টের মতো প্রযুক্তি চালু করছে। ফ্ল্যাশব্লকস বেস-কে ২০০ মিলিসেকেন্ডে লেনদেন নিশ্চিত করতে সক্ষম করবে, যা বাংলাদেশের ই-কমার্সের জন্য গেম-চেঞ্জার হতে পারে। অ্যাপচেইন উচ্চ ট্রাফিকের অ্যাপস-এর জন্য স্কেলিং সমাধান দেবে, যা আমাদের গেমিং এবং স্টার্টআপ সম্প্রদায়ের জন্য উপযোগী।
২০২৫ সালে বেস এবং কয়েনবেস ওয়ালেটের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। আমাদের তরুণদের এখনই এই যাত্রায় যোগ দেওয়া উচিত—ফারকাস্টারে অংশ নিয়ে, মিনি-অ্যাপ তৈরি করে এবং বেস-এর ওপেন প্ল্যাটফর্মে অবদান রেখে।

